উচ্চ-মধ্যম আয়ের
দেশ ও বাংলাদেশঃ
নিম্ন আয়ের দেশের তালিকা থেকে বেরিয়ে এসেছে বাংলাদেশ | বিশ্বব্যাংক ১ জুলা ২০১৫ আয় শ্রেনিভিত্তিক দেশের যে তালিকা প্রকাশ করে তার ফলে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ নিম্ন-মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে বিশ্বব্যাপী স্বীকৃতি লাভ করে |
দেশের বিদ্যমান অবকাঠামো, রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা এবং জনশক্তিকে কাজে লাগিয়ে ২০২১ সালের মধ্যে উচ্চ-মধ্যম আয়ের দেশে পরিনত হওয়ায় এখন প্রধান লক্ষ্য | আমাদের প্রবন্ধ বিভাগে এবারের আয়োজন উচ্চ-মধ্যম আয়ের দেশ ও বাংলাদেশ| সামাজিক সূচক, অথ©নৈতিক নিদে©শক প্রভৃতি ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অগ্রগতি এখন অনেক দেশের জন্য উদাহরণ একসময়ের তলাবিহীন ঝুরি’ বাংলাদেশ এখন উচ্চ-মধ্যম আয়ের দেশ| তবে উচ্চ-মধ্যম আয়ের দেশ হওয়ার পাশাপাশি উন্নয়নশীল দেশও হতে হবে বাংলাদেশকে।এ লক্ষে সবাগ্রে প্রয়োজন কায,কর প্রশাসনিক ব্যবস্থার মাধ্যমে সব,স্তরে সুশাসনের বাস্তবায়ন এবং মূলোৎপাটোন।
মধ্যম আয়ের দেশ বলতে যা বোঝায়:
আয়ভিত্তিক দেশের শ্রেণীকরণটি মূলত বিশ্বব্যাংকের। কোন দেশকে কি পরিমাণ ঋণ দেওয়া হবে তা নিধ©viণ করতে বিশ্বব্যাংক দেশগুলোকে চারভাগে ভাগ করে। মোট জাতীয় আয়ে (GNI-Gross National Income) মাথাপিছু আয়ের ভিত্তিতে দেশের বিভাজন নিম্নরুপ:
নিম্ন আয়
|
১,০৪৫ ডলার পয,ন্ত
|
নিম্ন-মধ্যম আয়
|
১,০৪৬-৪,১২৫ ডলার
|
উচ্চ-মধ্যম আয়
|
৪,১২৬-১২,৭৩৫ ডলার
|
উচ্চ আয়
|
১২,৭৩৬ ডলার বা তার বেশি
|
তবে মাথাপিছু আয়ের নিধ©vরিত সীমারেখা নিয়মিতভাবে বিশ্বব্যাংক পরিবতি©ত জীবনযাত্রার ব্যয় ও অন্যান্য অবস্থার সাথে সঙ্গতি রেখে হালনাগাদ করে থাকে। এ ক্ষেত্রে মাথাপিছু আয়ের সীমারেখা খুব বেশি হেরফের হয় না। ‡hgb, Gi Av‡M wb¤œ-ga¨g
Av‡qi †`‡ki mxgv 1036-1045 Wjv‡i DbœxZ Kiv nq|
No comments:
Post a Comment