Sunday, June 26, 2016

Wednesday, June 22, 2016

wmqvg mvabvi Zvrch©
Pv›`ªe‡l©i me©‡kÖó gvm n‡jv ighvb gvm| Avjøni ingZ, eiKZ I bvRvZ mg„× GB gvmwU †MŠie I m¤§v‡bi n‡q i‡q‡Q Abb¨ mvavib| GB gv‡m wmqvg cvjb Ki‡Z nq| GB gv‡m i‡q‡Q jvBjvZzj K`i Ges G gv‡mB AeZxY© n‡q‡Q gnvb Avjøni wPišÍb evYx Avj-‡KviAvb|
ÔighÕ avZz †_‡K ÔighvbÕ kãwU MwVZ n‡q‡Q| Aviwe Awfav‡b kãwUi `yÕiK‡gi A‡_©i K_v ejv n‡q‡Q| Avie †`‡k eQ‡ii cÖ_g e„wó‡K ejv n‡Zv igh| AvKv‡ki †gNgvjv †_‡K ewl©Z e„wóaviv Rwgb‡K K‡i †Zv‡j mRxe I km¨k¨vgjv| igh avZzi Av‡iKwU A_© n‡jv `nb Kiv, R¡vjv‡bv, cyov‡bv| `„wó A‡_©i Zvrch© cÖvq GKB iKg| e„wó †aŠZ Ges Zß `n‡bi gva¨‡g gvbyl n‡q DV‡Z cv‡i cwikxwjZ, cwiï× I cybiRxweZ|
ighvb gvm wmqvg mvavbvi gvm| wmqvg k‡ãi A_© n‡jv Dcevm cvjb| GB gv‡m w`‡bi †ejvq †Kej Dcevm cvjb Ki‡jB wmqvg mvabv m¤úbœ nq bv| my‡en-mv‡`K †_‡K myh©v¯Í ch©šÍ cvbvnvi cvcvPvi I ¯¿x wgjb †_‡K weiZ _vKvi bvg wmqvg ev †ivRv cvjb|
wmqvg mvabvi D‡Ï¨k¨ n‡jv
1.     gnvb Avjøni Av‡`k cvjb Kiv|
2.     mviv Rxe‡bi Rb¨ mshg Abykxb Kiv|
3.      ‰ah© avi‡Y mvgv_©¨ AR©b Kiv|
4.     ZvKIqvi AwaKvix nIqv| Ges
5.    AvZ¥ïw× nvwmj Kiv|
GB Abykxjb I Af¨¯ÍKiY †Kej GKgv‡mi Rb¨ bq, cieZ©x GMv‡iv gv‡mi Rb¨ ïay bq| Ggwb K‡i cieZ©x mgMÖ Rxeb e¨vcx cÖ‡hvR¨ n‡Z _vK‡e| cÖwZeQi ighvb gv‡m Abykxjb¸wj bevqb n‡Z _v‡K|
wmqvg cvj‡bi me‡P‡q Zvrch©c~Y© wkÿv n‡jv mshg mvabv| mshg †Kej cvbvnv‡ii g‡a¨ mxgve× bq, mvgwMÖK Rxeb cÖYvjxi †fZ‡iI mshZ _vKv AZ¨všÍ Riæwi| Avnvi-wenvi, Pjb-ejb, AvPvi-AvPvi‡YI mshg Aej¤^b Kiv DwPr| mKj wg_¨vPvi, cvcvPvi. Ab¨vq I Awbqg †_‡K wb‡R‡K weiZ ivL‡Z n‡e| gvby‡li mv‡_ K_v-evZ©v, Ggb wK `„wó kw³i †ÿ‡ÎI mshg Af¨vm Kiv KZ©e¨| gnvb Avjøvn Avj-‡KviAv‡bi myiv b~‡ii 30-31 bs Avqv‡Z Cgvb`vi bvix cyiæl‡K `„wó AebZ I j¾v ¯’v‡bi †ndvRZ Kivi wb‡`©k w`‡q‡Qb| Rxe‡bi mvgwMÖK Kj¨v‡Yi Rb¨ msh‡gi mvabvi †Kvb weKí †bB|
ighvb †KviAvb bvwR‡ji gvm| cweÎ †KviAvb Av‡jv-AÜKvi, b¨vq-Ab¨vq I cvc-c~‡Y¨i cv_©K¨Kvix GKwU gnvMÖš’| MÖš’wU Cgvb-Avgj Ávb AR©b Ges Rxeb I mgvR MV‡bi GwU c~Y©v½ wewaweavb| †KviAvb kix‡di ms¯ú‡k©i g‡a¨B wbwnZ i‡q‡Q ighvb gv‡mi gh©v`v I gnvbex nhiZ gyn¤§` (mt) Gi †`vRvnv‡bi †kÖóZ¡| mviv Rxe‡bi Rb¨ †KviAvb‡K aviY Ki‡Z cvi‡j †KD KL‡bv weåvšÍ n‡e bv, n‡e bv c_åvšÍ| ighvb gv‡mi †fZ‡iB i‡q‡Q Avj-‡KviAv‡bi Av‡jv‡K Rxeb Abykxjb Kivi my‡hvM|
ighvb gv‡m ïay Ava¨vwZ¥K PP©v bq, ¯^v¯’¨ PP©viI e¨e¯’v i‡q‡Q| G‡ÿ‡Î A‡b‡K kswKZ n‡q c‡ob, †h cvbvnvi †_‡K weiZ _vKv ¯^v‡¯’¨i Rb¨ Ab~Kzj bq| †ivRv cvjbKv‡j cvbvnvi wbwl× wKš‘ Zv ¯^v‡¯’¨i Rb¨ ÿwZKi bq| eis Kj¨vY Ki| GZ cvbvnvi G‡Kev‡i eÜ Kiv nqbv| Gi mg‡qi cwieZ©b Kiv nq gvÎ| w`‡bi e`‡j iv‡Zi †ejv cvbvnvi Kiv hvq| GUv †Kej ighvb gv‡mi Rb¨ cÖ‡hvR¨ n‡q _v‡K| G‡Z cvK¯’wj wekÖvg †c‡Z cv‡i nRgkw³ †e‡o hvq †Kv‡j÷‡ij n«vm cvq| d‡j Kg© kw³ †e‡o hvq|
wmqvg mvabvi gva¨‡g gvbyl gvby‡li cÖwZ n‡q DV‡Z cv‡i mg‡e`bvcÖeY I ms‡e`bkxj| ÿzavZ…òvi AwfÁZv AR©b Kiv hvq| Abyfe Kiv hvq AfveMÖ¯Í gvby‡li RxebRxweKvi hš¿Yv| Zv‡`i cv‡k `uvov‡bv, Zv‡`i cÖwZ mn‡hvwMZvi nvZ evov‡bvi AvMÖn evo‡Z cv‡i|   
wmqvg mvabvi mv‡_ Avw_©K weZiY e¨e¯’v GKwU m¤úK© i‡q‡Q| kvevb gv‡m hvKvZ Ges ighvb gv‡m wdZiv †`qvi weavb i‡q‡Q| GB `vb †Kej `wi`ªR‡bi cÖvc¨| †ivRv cvjb I C` D`hvc‡bi Rb¨ †Kej mn‡hvwMZv †`Iqv n‡e ZvB bq, Avmj D‡Ïk¨ n‡e hv‡Z `vwi`ª¨ we‡gvPb m¤¢e nq| Gi d‡j A_© m¤ú` weËevb‡`i nv‡Z mwÂZ n‡q _vK‡Z cvi‡e bv| †b‡g Avm‡e Z…Yg~j ch©v‡q| av‡c av‡c M‡o DV‡e A_©‰bwZKfv‡e mvgvwRK fvimvg¨| cÖK…Z wmqvg mvabvi gva¨‡g e¨vw³K Ges mvgvwRK PwiÎ M‡o DV‡Z cv‡i| e¨vw³ I mgvR n‡q DV‡Z cv‡i ¯^”Q, mZ¨wbô I `yb©xwZgy³| A‰eaZv, AÜKvi †_‡K †ewi‡q G‡m M‡o DV‡Z cv‡i GKwU cwikxwjZ Av‡jvwKZ mgvR|
ZvB Avj-‡KviAv‡bi myiv Avj-evKvivi 183 bs Avqv‡Z me©kw³gvb Avjøvn&ÕZvjv e¨³ K‡i‡Qb: Ò†n wek¦vm ¯’vcbKvixMY! †Zvgv‡`i DciI †ivhv‡K Acwinvh© KZ©e¨iƒ‡c (diR) wba©vwiZ Kiv n‡jv †hb †Zvgiv mshgkxj n‡Z cv‡iv|Ó wmqvg mvabvi gva¨‡g mshg, ZvKIqv mg„× n‡Z cvi‡jB GKwU ¯^”Q I Av‡jvwKZ mgvR M‡o DV‡Z cv‡i|
ÔBmjvwgK dvD‡Ûkb evsjv‡`kÕ cÖKvwkZ nvw`‡m Kz`mxi 180 bs nv`x‡m †ivRv`v‡ii cÖwZ m¤§vb †`Lv‡bv n‡q‡Q| gnvb Avjøvn&ZvÕjv †d‡ikZv‡`i Av‡`k K‡i‡Qb gyn¤§` (mt) Gi †ivRv`vi I Bev`ZKvix‡`i Rb¨ RvbœvZ‡K mw¾Z K‡iv Rvnvbœv‡gi `iRv¸wj‡K eÜ iv‡Lv| Ges we‡`ªvnx kqZvb I D×Z wRb ¸wj‡K k„•LwjZ iv‡Lv| ighvb gvm †kl bv nIqv ch©šÍ|
Avjøvn& Av‡`k cÖ`vb K‡i‡Qb †ivRv`vi‡`i ¯^v‡_© wRb I kqZvb hv‡Z †ivRv bó K‡i w`‡Z bv cv‡i| ighvb gv‡m GK_vi ev¯ÍeZv jÿ¨ Kiv hvq| Ab¨mg‡qi Zzjbvq G gv‡m gmwR`¸wj gymwjø‡Z f‡i hvq| kni-bM‡i cÖKvk¨ †KD cvbvnvi Ges aygcvb K‡i bv| †nv‡Uj I Lvev‡ii †`vKv‡b c`©v Szjv‡bv _v‡K †ivRv bvgvR I †KviAvb kixd †ZjvIqv‡Z gvby‡li g‡a¨ e¨vcK mvov †R‡M I‡V|
gnvb Avjøvn& I bex gyn¤§` (mt) Gi me K_vB mZ¨ Ges Avgv‡`i DwPZ Zv †g‡b Pjv| ZeyI `ytLRbK n‡jI mZ¨ †h, †ivRvi gv‡m mgvR m¤ú~Y© AbvPvi I cvcvPvi gy³ _v‡K bv| Awdm-Av`vj‡Z Kg‡ewk Nym `~b©xwZ Ae¨nZ _v‡K| Ges Ab¨qfv‡e  evRv‡i wRwblc‡Îi `i †e‡o hvq, Ges cY¨mvgMÖx †fRvjgy³ _v‡K bv| ˆbwZKZv, ¯^”QZvi eo Afve, A‡b‡KB mshg nvwi‡q †d‡j‡Q| Z‡e GK_v ¯^xKvi Ki‡Z n‡e †h mgv‡Ri me †jvK Lvivc bq, wKš‘ Zv‡`i msL¨v KZ Zv wbY©q Kiv AZ¨šÍ KwVb| Avgiv Avjøvn&i Kv‡Q cÖv_©bv Ki‡Z _vK‡ev| wZwb Avgv‡`i mKj‡K Zvi cQ›`gZ wmqvg cvj‡bi ‡ZŠwdK `vb KiæY| Avgxb\           

   
   

Sunday, June 19, 2016

হুমায়ুন আহমেদের “বাসর“ উপন্যাস অবলম্বনে একটি কবিতা লেখার চেষ্টা,
"তের মাস"
আজ মেঘহীন আকাশে 
সোনালী বেদনা আমাকে ঘিরে
মাতে উচ্ছাসে। বসে থাকে নিরাশে
আমার ক্ষত-বিক্ষত মন শিহরে
ওঠে। এইত মাত্র ক’টি মাস আগে
তুমি এসেছিলে নববধু হয়ে
আমার হৃদয়ঘরে ছিলে জেগে।
তবে কেন তোমাকে হারিয়ে
ফেললাম? বিধির বিধান তুমি
এখনো আছো মনের ঘরে
বধু কিছুটা ভালবাসা
তোমাতে দিয়েছিলাম ভরে;
অজলা ভরে নিয়েছিলে চুমি
মাত্র তেরটা মাস............
এরই মাঝে তোমার মৃত্যু সংকেত
উঠেছিল বেজে। বুঝিনি সে ভাষা,
উর্বর হয়েছে তোমার আধারের খেত,
পূর্ণিমার চাঁদটা সরে গিয়ে
অন্ধকার হয়ে যাচ্ছে আমার চারপাশ।
নদীটা বয়ে চলে
নিরবধী। নিরবধী বহে আমার ভালবাসা
তোমাকেই ভালবেসেছিলাম বধু।
অথচ.........তুমি হারিয়ে গেলে।
করলো বিধি নিরাশা।
শেষ শ্রদ্ধা সোনা বউয়ের পদতলে;
বিধি যেন তোমাকে রাখেন সুখে
এ কামনা করি অন্তরে ও মুখে।
আমার অপেক্ষায়
নিঃসীম নিরন্তর আশায়
চেয়ে আছে আধারে একা আমার প্রিয় বধু।

Saturday, June 11, 2016

ইলেকট্রন স্থানান্তর: রেডক্স : জারণ সংখ্যা,জারণ সংখ্যা নির্ণয়...
Electron Transition):
ইলেকট্রন ̄স্থানান্তরের উপর ভিত্তি করে রাসায়নিক বিক্রিয়াকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-
ক. রেডক্স (Redox) বিক্রিয়া: রেডক্স (Redox) শব্দটি বিজারণ; Reduction-এর Red এবং জারণ; Oxidation -এর Ox নিয়ে গঠিত। অর্থাৎ রেডক্স (Redox) অর্থ জারণ-বিজারণ।
জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া ইলেকট্রন স্থানান্তরের মাধ্যমে সংঘটিত হয়। একটি বিক্রিয়ক থেকে জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া সম্পন্ন হলে বিক্রিয়কের একাধিক মৌলের মধ্যে ই
লেকট্রন আদান-প্রদান হয়। দুটি বিক্রিয়কের মধ্যে জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া সম্পন্ন হলে বিক্রিয়ক দুইটির মধ্যে ইলেকট্রন আদান-প্রদান হয়। এতে বিক্রিয়কের জারণ সংখ্যার পরিবর্তন হয়।
জারণ সংখ্যা (Oxidation Number): যৌগ গঠনের সময় কোনো মৌল যত সংখ্যক ইলেকট্রন বর্জন করে ধনাত্মক আয়ন উৎপন্ন করে অথবা যত সংখ্যক ইলেকট্রন গ্রহণ করে ঋণাত্মক আয়ন উৎপন্ন করে তাকে মৌলের জারণ সংখ্যা বলে। নিরপেক্ষ বা মুক্ত মৌলের জারণ সংখ্য শূন্য (০) ধরা হয়।
ইলেকট্রন গ্রহণ করে ঋণাত্মক আয়নে পরিণত হলে মৌলের জারণ সংখ্যাকে ঋণাত্মক জারণ সংখ্যা এবং ইলেকট্রন বর্জন করে ধনাত্মক আয়নে পরিণত হলে মৌলের জারণ সংখ্যাকে ধনাত্মক জারণ সংখ্যা বলে। ধাতুসমূহের জারণ সংখ্যা সাধারণত ধনাত্মক, অধাতুসমূহের জারণ সংখ্যা ঋণাত্মক এবং যৌগমূলকের জারণ সংখ্যা তাদের আধান অনুসারে হয়। বিভিন্ন যৌগে একই মৌলের জারণ সংখ্যা বিভিন্ন হতে পারে। যেমন,
HCl অণুতে ঐ - এর জারণ সংখ্যা +1 এবং ঐ H2 অণুতে ঐ - এর জারণ সংখ্যা শূন্য(0)
FeSO4
অণুতে Fe -এর জারণ সংখ্যা +2 এবং মুক্ত Fe - Fe এর জারণ সংখ্যা 0
একইভাবে HCl অণুতে Cl এর জারণ সংখ্যা -1 এবং Cl2 অণুতে Cl -এর জারণ সংখ্যা 0
জারণ সংখ্যা নির্ণয় (Determination of oxidation number):
মৌলের জারণ সংখ্যা মূলত তার ইলেকট্রন বিন্যাসের সাথে সম্পর্কিত। একটি যৌগে কোনো মৌলের জারণ সংখ্যা যৌগে বিদ্যমান অন্যান্য মৌলের জারণ সংখ্যার উপর নির্ভরশীল।যৌগে কোনো একটি মৌলের জারণ সংখ্যা নির্ণয় করার জন্য যৌগে বিদ্যমান অন্যান্য মৌলের প্রমাণ জারণ সংখ্যা (Standard oxidation number) ব্যবহার করা হয়। নিম্নের টেবিলে কিছু মৌলের, আয়নের এবং যৌগের প্রমাণ জারণ সংখ্যা দেওয়া হল:
KMnO4Mn -এর জারণ সংখ্যা নির্ণয়:
Mn -
এর জারণ সংখ্যা =x(ধরে),

K-এর জারণ সংখ্যা =+1 এবং O -এর জারণ সংখ্যা =-2
যেহেতু KMnO4 নিরপেক্ষ অণু, অতএব পরমাণুসমূহের মোট জারণ সংখ্যা শূন্য হয়।
সুতরাং
(+1) + x + (-2) x 4 = 0
+1 + x - 8 = 0
x – 7 = 0
x = +7,
অর্থাৎ KMnO4 Mn -এর জারণ সংখ্যা = +7

Thursday, June 9, 2016

১। প্রশ্নঃ কার্ডের তথ্য কিভাবে সংশোধন করা যায়?
উত্তরঃ এনআইডি রেজিস্ট্রেশন উইং/উপজেলা/থানা/জেলা নির্বাচন অফিসে ভুল তথ্য সংশোধনের জন্য আবেদন করতে হবে। সংশোধনের পক্ষে পর্যাপ্ত উপযুক্ত দলিলাদি আবেদনের সাথে সংযুক্ত করতে হবে।

২। প্রশ্নঃ কার্ডে কোন সংশোধন করা হলে তার কি কোন রেকর্ড রাখা হবে?
উত্তরঃ সকল সংশোধনের রেকর্ড সেন্ট্রাল ডাটাবেজে সংরক্ষিত থাকে।

৩। প্রশ্নঃ ভুলক্রমে পিতা/স্বামী/মাতাকে মৃত হিসেবে উল্লেখ করা হলে সংশোধনের জন্য কি কি সনদ দাখিল করতে হবে?
উত্তরঃ জীবিত পিতা/স্বামী/মাতাকে ভুলক্রমে মৃত হিসেবে উল্লেখ করার কারণে পরিচয়পত্র সংশোধন করতে হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির পরিচয়পত্র দাখিল করতে হবে।

৪। প্রশ্নঃ আমি অবিবাহিত। আমার কার্ডে পিতা না লিখে স্বামী লেখা হয়েছে। কিভাবে তা সংশোধন করা যাবে?
উত্তরঃ সংশ্লিষ্ট উপজেলা/থানা/জেলা নির্বাচন অফিসে আপনি বিবাহিত নন মর্মে প্রমাণাদিসহ আবেদন করতে হবে।

৫। প্রশ্নঃ বিয়ের পর স্বামীর নাম সংযোজনের প্রক্রিয়া কি?
উত্তরঃ নিকাহনামা ও স্বামীর আইডি কার্ড এর ফটোকপি সংযুক্ত করে NID Registration Wing/ সংশ্লিষ্ট উপজেলা/ থানা/ জেলা নির্বাচন অফিস বরাবর আবেদন করতে হবে।

৬। প্রশ্নঃ বিবাহ বিচ্ছেদ হয়ে গেছে। এখন ID Card থেকে স্বামীর নাম বিভাবে বাদ দিতে হবে?
উত্তরঃ বিবাহ বিচ্ছেদ সংক্রান্ত দলিল (তালাকনামা) সংযুক্ত করে NID Registration Wing/সংশ্লিষ্ট উপজেলা/ থানা/ জেলা নির্বাচন অফিসে আবেদন করতে হবে।

৭। প্রশ্নঃ বিবাহ বিচ্ছেদের পর নতুন বিবাহ করেছি এখন আগের স্বামীর নামের স্থলে বর্তমান স্বামীর নাম কিভাবে সংযুক্ত করতে পারি?
উত্তরঃ প্রথম বিবাহ বিচ্ছেদের তালাকনামা ও পরবর্তী বিয়ে কাবিননামাসহ সংশোধন ফর্ম পূরণ করে আবেদন করতে হবে।

৮। প্রশ্নঃ আমি আমার পেশা পরিবর্তন করতে চাই কিন্তু কিভাবে করতে পারি?
উত্তরঃ এনআইডি রেজিস্ট্রেশন উইং/উপজেলা/জেলা নির্বাচন অফিসে প্রামাণিক কাগজপত্র দাখিল করতে হবে। উলেখ্য, আইডি কার্ডে এ তথ্য মুদ্রণ করা হয় না।

৯। প্রশ্নঃ আমার ID Card এর ছবি অস্পষ্ট, ছবি পরিবর্তন করতে হলে কি করা দরকার?
উত্তরঃ এক্ষেত্রে নিজে সরাসরি উপস্থিত হয়ে জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগে আবেদন করতে হবে।

১০। প্রশ্নঃ নিজ/পিতা/স্বামী/মাতার নামের বানান সংশোধন করতে আবেদনের সাথে কি কি দলিল জমা দিতে হবে?
উত্তরঃ এসএসসি/সমমান সনদ, জন্ম সনদ, পাসপোর্ট, নাগরিকত্ব সদন, চাকুরীর প্রমাণপত্র, নিকাহ্‌নামা, পিতা/স্বামী/মাতার জাতীয় পরিচয়পত্রের সত্যায়িত কপি জমা দিতে হয়।

১১। প্রশ্নঃ নিজের ডাক নাম বা অন্য নামে নিবন্ধিত হলে সংশোধনের জন্য আবেদনের সাথে কি কি দলিল জমা দিতে হবে?
উত্তরঃ এসএসসি/সমমান সনদ, বিবাহিতদের ক্ষেত্রে স্ত্রী/ স্বামীর জাতীয় পরিচয়পত্রের সত্যায়িত কপি, ম্যাজিট্রেট কোর্টে সম্পাদিত এফিডেভিট ও জাতীয় পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি,ওয়ারিশ সনদ,ইউনিয়ন/পৌর বা সিটি কর্পোরেশন হতে আপনার নাম সংক্রান্ত প্রত্যয়নপত্র।

১২। প্রশ্নঃ পিতা/মাতাকে ‘মৃত’ উল্লেখ করতে চাইলে কি কি সনদ দাখিল করতে হয়?
উত্তরঃ পিতা/মাতা/স্বামী মৃত উল্লেখ করতে চাইলে মৃত সনদ দাখিল করতে হবে।

১৩। প্রশ্নঃ ঠিকানা কিভাবে পরিবর্তন/ সংশোধন করা যায়?
উত্তরঃ শুধুমাত্র আবাসস্থল পরিবর্তনের কারনেই ঠিকানা পরিবর্তনের জন্য বর্তমানে যে এলাকায় বসবাস করছেন সেই এলাকার উপজেলা/ থানা নির্বাচন অফিসে ফর্ম ১৩ এর মাধ্যমে আবেদন করা যাবে। তবে একই ভোটার এলাকার মধ্যে পরিবর্তন বা ঠিকানার তথ্য বা বানানগত কোন ভুল থাকলে সাধারণ সংশোধনের আবেদন ফরমে আবেদন করে সংশোধন করা যাবে।

১৪। প্রশ্নঃ আমি বৃদ্ধ ও অত্যন্ত দরিদ্র ফলে বয়স্ক ভাতা বা অন্য কোন ভাতা খুব প্রয়োজন। কিন্তু নির্দিষ্ট বয়স না হওয়ার ফলে কোন সরকারী সুবিধা পাচ্ছি না। লোকে বলে ID Card –এ বয়সটা বাড়ালে ঐ সকল ভাতা পাওয়া যাবে?
উত্তরঃ ID Card এ প্রদত্ত বয়স প্রামাণিক দলিল ব্যতিত পরিবর্তন সম্ভব নয়। উল্লেখ্য, প্রামানিক দলিল তদন্ত ও পরীক্ষা করে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

১৫। প্রশ্নঃ একই পরিবারের বিভিন্ন সদস্যের কার্ডে পিতা/মাতার নাম বিভিন্নভাবে লেখা হয়েছে কিভাবে তা সংশোধন করা যায়?
উত্তরঃ সকলের কার্ডের কপি ও সম্পর্কের বিবরণ দিয়ে NID Registration Wing/ উপজেলা/ জেলা নির্বাচন অফিস বরাবর পর্যাপ্ত প্রামাণিক দলিলসহ আবেদন করতে হবে।

১৬। প্রশ্নঃ আমি পাশ না করেও অজ্ঞতাবশতঃ শিক্ষাগত যোগ্যতা এসএসসি বা তদুর্দ্ধ লিখেছিলাম এখন আমার বয়স বা অন্যান্য তথ্যাদি সংশোধনের উপায় কি?
উত্তরঃ আপনি ম্যাজিট্রেট আদালতে এস.এস.সি পাশ করেননি, ভুলক্রমে লিখেছিলেন মর্মে হলফনামা করে এর কপিসহ সংশোধনের আবেদন করলে তা সংশোধন করা যাবে।

১৭। প্রশ্নঃ ID Card এ অন্য ব্যক্তির তথ্য চলে এসেছে। এ ভুল কিভাবে সংশোধন করা যাবে?
উত্তরঃ ভুল তথ্যের সংশোধনের পক্ষে পর্যাপ্ত দলিল উপস্থাপন করে NID Registration Wing/সংশ্লিষ্ট উপজেলা/থানা/জেলা নির্বাচন অফিসে আবেদন করতে হবে।এক্ষেত্রে বায়োমেট্রিক যাচাই করার পর সঠিক পাওয়া গেলে সংশোধনের প্রক্রিয়া করা হবে।

১৮। প্রশ্নঃ রক্তের গ্রুপ অন্তর্ভূক্ত বা সংশোধনের জন্য কি করতে হয়?
উত্তরঃ রক্তের গ্রুপ অন্তর্ভুক্ত বা সংশোধন করতে রক্তের গ্রুপ নির্ণয়কৃত ডায়াগনোসটিক রিপোর্ট দাখিল করতে হয়।

১৯। প্রশ্নঃ বয়স/ জন্ম তারিখ পরিবর্তন করার প্রক্রিয়া কি?
উত্তরঃ এসএসসি বা সমমানের পরীক্ষার সনদের সত্যায়িত ফটোকপি আবেদনের সাথে জমা দিতে হবে। এসএসসি বা সমমানের সনদ প্রাপ্ত না হয়ে থাকলে সঠিক বয়সের পক্ষে সকল দলিল উপস্থাপনপূর্বক আবেদন করতে হবে। আবেদনের পর বিষয়টি তদন্তপূর্বক প্রয়োজনে ডাক্তারী পরীক্ষা সাপেক্ষে সঠিক নির্ধারণ করে প্রয়োজনীয় সংশোধন করা হবে।

২০। প্রশ্নঃ স্বাক্ষর পরিবর্তন করতে চাই, কিভাবে করতে পারি?
উত্তরঃ নতুন স্বাক্ষর এর নমুনাসহ গ্রহণযোগ্য প্রমাণপত্র সংযুক্ত করে আবেদন করতে হবে। তবে স্বাক্ষর একবারই পরিবর্তন করা যাবে।

২১। প্রশ্নঃ আমার জন্ম তারিখ যথাযথভাবে লেখা হয়নি, আমার কাছে প্রামাণিক কোন দলিল নেই, কিভাবে সংশোধন করা যাবে?
উত্তরঃ সংশ্লিষ্ট উপজেলা/জেলা নির্বাচন অফিসে আবেদন করতে হবে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

২২। প্রশ্নঃ একটি কার্ড কতবার সংশোধন করা যায়?
উত্তরঃ এক তথ্য শুধুমাত্র একবার সংশোধন করা যাবে। তবে

১। প্রশ্নঃ ID Card হারিয়ে গিয়েছে। কিভাবে নতুন কার্ড পেতে পারি?
উত্তরঃ নিকটতম থানায় জিডি করে জিডির মূল কপিসহ সংশ্লিষ্ট উপজেল/থানা নির্বাচন অফিসারের কার্যালয়ে অথবা ঢাকায় জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগে আবেদন করতে হবে।

২। প্রশ্নঃ হারানো আইডি কার্ড পেতে বা তথ্য সংশোধনের জন্য কি কোন ফি দিতে হয়?
উত্তরঃ এখনো হারানো কার্ড পেতে কোন প্রকার ফি দিতে হয় না। তবে ভবিষ্যতে হারানো আইডি কার্ড পেতে/সংশোধন করতে সরকার কর্তৃক নির্ধারিত ফি ধার্য করা হবে।

৩। প্রশ্নঃ হারানো ও সংশোধন একই সাথে করা যায় কি?
উত্তরঃ হারানো ও সংশোধন একই সাথে সম্ভব নয়। আগে হারানো কার্ড তুলতে হবে, পরবর্তীতে সংশোধনের জন্য আবেদন করা যাবে।

৪। প্রশ্নঃ হারিয়ে যাওয়া আইডি কার্ড কিভাবে সংশোধন করব?
উত্তরঃ প্রথমে হারানো আইডি কার্ড উত্তোলন করে তারপর সংশোধনের আবেদন করতে হবে।

৫। প্রশ্নঃ প্রাপ্তি স্বীকারপত্র / স্লিপ হারালে করণীয় কি?
উত্তরঃ স্লিপ হারালেও থানায় জিডি করে সঠিক ভোটার আইডি নাম্বার দিয়ে হারানো কার্ডের জন্য আবেদন পত্র জমা দিতে হবে।

৬। প্রশ্নঃ প্রাপ্তি স্বীকারপত্র / ID Card হারিয়ে গেছে কিন্তু কোন Document নেই বা NID নম্বর/ ভোটার নম্বর/ স্লিপের নম্বর নেই, সে ক্ষেত্রে কি করণীয়?
উত্তরঃ সংশ্লিষ্ট উপজেলা/ থানা/ জেলা নির্বাচন অফিস থেকে Voter Number সংগ্রহ করে NID Registration Wing/ উপজেলা/ থানা নির্বাচন অফিসারের কার্যালয়ে আবেদন করতে হবে।

৭। প্রশ্নঃ জাতীয় পরিচয়পত্রে নেই কিন্তু তথ্য পরিবর্তিত হয়েছে এমন তথ্যাদি পরিবর্তন কিভাবে সম্ভব?
উত্তরঃজাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগে এ সংক্রান্ত কাগজপত্রাদি সহ আবেদন করলে যাচাই-বাছাই করে বিবেচনা করা হবে।

৮। প্রশ্নঃ জাতীয় পরিচয় পত্রের মান বর্তমানে তেমন ভালো না এটা কি ভবিষ্যতে উন্নত করার সম্ভাবনা আছে?
উত্তরঃ হ্যাঁ। আগামীতে স্মার্ট আইডি কার্ড প্রদানের জন্য কাযর্ক্রম চলমান আছে যাতে অনেক উন্নত ও আধুনিক ফিচার সমৃদ্ধ থাকবে এবং মান অনেক উন্নত হবে।
১। প্রশ্নঃ আমি যথা সময়ে ভোটার হিসেবে Registration করতে পারিনি। এখন কি করা যাবে?
উত্তরঃ সংশ্লিষ্ট উপজেলা/থানা/জেলা নির্বাচন অফিসে যথাযথ কারণ উল্লেখপূর্বক আবেদন করতে পারেন।

২। প্রশ্নঃ আমি বিদেশে অবস্থানের কারণে Voter Registration করতে পারিনি, এখন কিভাবে করতে পারবো?
উত্তরঃ সংশ্লিষ্ট উপজেলা/থানা/জেলা নির্বাচন অফিসে বাংলাদেশ পাসপোর্ট-এর অনুলিপিসহ জন্ম সনদ, নাগরিকত্ব সনদ, এসএসসি (প্রযোজ্যক্ষেত্রে) সনদ, ঠিকানার সমর্থনে ইউটিলিটি বিলের কপি বা বাড়ী ভাড়া বা হোল্ডিং ট্যাক্সের রশিদের কপিসহ আবেদন করতে হবে এবং সংশ্লিষ্ট ফর্মসমূহ পূরণ করতে হবে।

৩। প্রশ্নঃ আমি ২০০৭/২০০৮ অথবা ২০০৯/২০১০ সালে ভোটার রেজিস্ট্রেশন করেছি কিন্তু সেই সময় আইডি কার্ড গ্রহণ করিনি। এখন কিভাবে আইডি কার্ড

Tuesday, June 7, 2016

http://www.planetradiocity.com/film/photo-gallery-details/Shah-Rukh-Khans-rare-and-unseen-pictures/1122/17/20/1135

Monday, June 6, 2016

প্রজাপতি বনফুলের প্রেম

Butterfly
(গল্পটা পড়ার অনুরোধ রইলো।)
নির্জন বনে একটি বনফুল ছিল। নিসঙ্গ একাকী ছিল সে। সারাদিন একা একাই কাটতো তার। নিসঙ্গতার যন্ত্রনা বড়ই নির্মম, সহ্য করা দুঃসাধ্য। নিসঙ্গতার এমন নিঠুর নির্মমতায় জীবনের প্রতি ঘৃনা হতো বনফুলের
অতঃপর, হঠাৎ একদিন এক পড়ন্ত বিকেলের স্নিগ্ধতায় দেখা হলো বনফুলের একটা প্রজাপতির সাথে। প্রজাপতির ডানার রঙটা ছিল নীল, আর সেই নীল ডানায় ছিলো নানা রঙ্গের ছড়াছড়ি। বনফুল মুগ্ধ হয়ে তাকিয়ে ছিলো প্রজাপতির দিকে, দৃষ্টি ফেরাতে পারেনি। প্রথম দেখাতেই ভালোবাসার বীজ অঙ্কুরিত হয় বনফুলের মনে। বনফুলকে এমন অবাক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকতে দেখে প্রজাপতি
বললো, “এমন নিলরজ্জের মতো তাকিয়ে আছো কেন?” প্রজাপতির সুমুধর কন্ঠ শোনে বনফুল কথা বলার শক্তি হারিয়ে ফেলে, বোকার মতো তাকিয়ে থাকে প্রজাপতির দিকে। প্রজাপতি কোনো উত্তর না পেয়ে চলে গেলো
এদিকে সন্ধ্যা ঘনিয়ে শেষে নামলো রাত, মুচকি হেসে দেখা দিলো চাঁদ। বনফুল কিছুতেই ভুলতে পারছেনা প্রজাপতির কথা। তার দৃষ্টির সামনে বার বার ভেসে ওঠে প্রজাপতির প্রতিচ্ছবি, তার সুমধুর কন্ঠস্বর প্রতিধ্বনিত হয়ে কর্ন দিয়ে প্রবেশ করে মনে নানান ভাবনার সৃষ্টি করছে। প্রজাপতির বার বার মনে পড়ছে বনফুলের কথা। বনফুলের বোকা বোকা চেহারা মনে করে একা একাই হাসছে সে। সে রাতে বনফুল-প্রজাপতি কারোই ঘুম হয়নি
খুব সকালেই প্রজাপতি ছোটে আসে বনফুলের কাছে। প্রজাপতিকে দেখেই অভিমানের সুরে বনফুল বলে, “আসতে এতো দেরি হলো কেনো? আমি কখন থেকে অপেক্ষা করছি।অনর্গল বলেই যাচ্ছে বনফুল, প্রশ্নের পর প্রশ্ন করছে। প্রজাপতি কিছুই বলছে না, মিটিমিটি হাসছে আর বনফুলের চঞ্চলতা দেখছে। বনফুলের কথার ঝুড়ি যখন কিছুটা হালকা হলো, তখন প্রজাপতি বললো, “এতো কথা বলতে পারো তুমি! এতো প্রশ্ন করতে পারো! আমি তোমার এতো প্রশ্নের উত্তর দিতে পারবো না, কি বলি শোনো- আমি খুব তোমাকে ভালোবাসি, জানো, কাল সারারাত তোমার কথা ভেবে একটু ঘুমাতে পারিনি বনফুল। সত্যী আমি তোমাকে ভালোবেসে ফেলেছি।বনফুল কিছু না বলে জড়িয়ে ধরলো প্রজাপতিকে। সেই থেকে দুজন আবদ্ধ হলো প্রেমবন্ধনে
প্রতিদিন বনফুলের কাছে আসতো প্রজাপতি। সারাদিন গল্প করতো দুজন। মান-অভিমান, হাসি-টাট্টায় দিন কাটছিল তাদের
একদিন কথায় কথায় রাত হয়ে যায়, প্রজাপতি থেকে যায় বনফুলের কাছে। বনফুলের বুকে মাথা রেখে ঘুমিয়ে পড়ে প্রজাপতি। হঠাৎ শুরু হলো প্রচন্ড ঝড়-বৃষ্টি ঘুম ভেঙ্গে গেলো তাদের। প্রজাপতি খুব ভয় পেয়েছিলো, তাই বনফুল তাকে বুকে জড়িয়ে ধরে রাখলো। তুমুল ঝড়-বৃষ্টি হচ্ছে, বনফুল ভিজে একাকার হলেও, প্রজাপতি তেমন একটা ভিজেনি। হঠাৎ একটা গাছের ডাল ভেঙ্গে পড়লো বনফুলের মাথার উপর। বনফুল ধাক্কা দিয়ে দুরে সরিয়ে দিলো প্রজাপতিকে। বনফুল কিছু বলার সুযোগ পেলোনা না আর, চলে যেতে হলো প্রিয়তমাকে ছেড়ে না ফেরার দেশে।
কিছুক্ষন পর ঝড় থামে, প্রজাপতি খুব কষ্টে গাছের ডালের নিচ থেকে বের করলো বনফুলের প্রানহীন দেহ। খুব কেঁদেছিলো প্রজাপতি সেদিন বনফুলের প্রানহীন দেহ জড়িয়ে ধরে। আজো কাঁদে প্রজাপতি বনফুলকে মনে করে, আজো খুজে বেড়ায় সে বনফুলের স্মৃতি সবুজ পাতার ভীড়ে

(যারা সম্পুর্ন গল্প পড়বেন, তাদের মন্তব্য আশা করছি