১। প্রশ্নঃ কার্ডের তথ্য কিভাবে সংশোধন করা যায়?
উত্তরঃ এনআইডি রেজিস্ট্রেশন উইং/উপজেলা/থানা/জেলা নির্বাচন অফিসে ভুল তথ্য সংশোধনের জন্য আবেদন করতে হবে। সংশোধনের পক্ষে পর্যাপ্ত উপযুক্ত দলিলাদি আবেদনের সাথে সংযুক্ত করতে হবে।
২। প্রশ্নঃ কার্ডে কোন সংশোধন করা হলে তার কি কোন রেকর্ড রাখা হবে?
উত্তরঃ সকল সংশোধনের রেকর্ড সেন্ট্রাল ডাটাবেজে সংরক্ষিত থাকে।
৩। প্রশ্নঃ ভুলক্রমে পিতা/স্বামী/মাতাকে মৃত হিসেবে উল্লেখ করা হলে সংশোধনের জন্য কি কি সনদ দাখিল করতে হবে?
উত্তরঃ জীবিত পিতা/স্বামী/মাতাকে ভুলক্রমে মৃত হিসেবে উল্লেখ করার কারণে পরিচয়পত্র সংশোধন করতে হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির পরিচয়পত্র দাখিল করতে হবে।
৪। প্রশ্নঃ আমি অবিবাহিত। আমার কার্ডে পিতা না লিখে স্বামী লেখা হয়েছে। কিভাবে তা সংশোধন করা যাবে?
উত্তরঃ সংশ্লিষ্ট উপজেলা/থানা/জেলা নির্বাচন অফিসে আপনি বিবাহিত নন মর্মে প্রমাণাদিসহ আবেদন করতে হবে।
৫। প্রশ্নঃ বিয়ের পর স্বামীর নাম সংযোজনের প্রক্রিয়া কি?
উত্তরঃ নিকাহনামা ও স্বামীর আইডি কার্ড এর ফটোকপি সংযুক্ত করে NID Registration Wing/ সংশ্লিষ্ট উপজেলা/ থানা/ জেলা নির্বাচন অফিস বরাবর আবেদন করতে হবে।
৬। প্রশ্নঃ বিবাহ বিচ্ছেদ হয়ে গেছে। এখন ID Card থেকে স্বামীর নাম বিভাবে বাদ দিতে হবে?
উত্তরঃ বিবাহ বিচ্ছেদ সংক্রান্ত দলিল (তালাকনামা) সংযুক্ত করে NID Registration Wing/সংশ্লিষ্ট উপজেলা/ থানা/ জেলা নির্বাচন অফিসে আবেদন করতে হবে।
৭। প্রশ্নঃ বিবাহ বিচ্ছেদের পর নতুন বিবাহ করেছি এখন আগের স্বামীর নামের স্থলে বর্তমান স্বামীর নাম কিভাবে সংযুক্ত করতে পারি?
উত্তরঃ প্রথম বিবাহ বিচ্ছেদের তালাকনামা ও পরবর্তী বিয়ে কাবিননামাসহ সংশোধন ফর্ম পূরণ করে আবেদন করতে হবে।
৮। প্রশ্নঃ আমি আমার পেশা পরিবর্তন করতে চাই কিন্তু কিভাবে করতে পারি?
উত্তরঃ এনআইডি রেজিস্ট্রেশন উইং/উপজেলা/জেলা নির্বাচন অফিসে প্রামাণিক কাগজপত্র দাখিল করতে হবে। উলেখ্য, আইডি কার্ডে এ তথ্য মুদ্রণ করা হয় না।
৯। প্রশ্নঃ আমার ID Card এর ছবি অস্পষ্ট, ছবি পরিবর্তন করতে হলে কি করা দরকার?
উত্তরঃ এক্ষেত্রে নিজে সরাসরি উপস্থিত হয়ে জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগে আবেদন করতে হবে।
১০। প্রশ্নঃ নিজ/পিতা/স্বামী/মাতার নামের বানান সংশোধন করতে আবেদনের সাথে কি কি দলিল জমা দিতে হবে?
উত্তরঃ এসএসসি/সমমান সনদ, জন্ম সনদ, পাসপোর্ট, নাগরিকত্ব সদন, চাকুরীর প্রমাণপত্র, নিকাহ্নামা, পিতা/স্বামী/মাতার জাতীয় পরিচয়পত্রের সত্যায়িত কপি জমা দিতে হয়।
১১। প্রশ্নঃ নিজের ডাক নাম বা অন্য নামে নিবন্ধিত হলে সংশোধনের জন্য আবেদনের সাথে কি কি দলিল জমা দিতে হবে?
উত্তরঃ এসএসসি/সমমান সনদ, বিবাহিতদের ক্ষেত্রে স্ত্রী/ স্বামীর জাতীয় পরিচয়পত্রের সত্যায়িত কপি, ম্যাজিট্রেট কোর্টে সম্পাদিত এফিডেভিট ও জাতীয় পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি,ওয়ারিশ সনদ,ইউনিয়ন/পৌর বা সিটি কর্পোরেশন হতে আপনার নাম সংক্রান্ত প্রত্যয়নপত্র।
১২। প্রশ্নঃ পিতা/মাতাকে ‘মৃত’ উল্লেখ করতে চাইলে কি কি সনদ দাখিল করতে হয়?
উত্তরঃ পিতা/মাতা/স্বামী মৃত উল্লেখ করতে চাইলে মৃত সনদ দাখিল করতে হবে।
১৩। প্রশ্নঃ ঠিকানা কিভাবে পরিবর্তন/ সংশোধন করা যায়?
উত্তরঃ শুধুমাত্র আবাসস্থল পরিবর্তনের কারনেই ঠিকানা পরিবর্তনের জন্য বর্তমানে যে এলাকায় বসবাস করছেন সেই এলাকার উপজেলা/ থানা নির্বাচন অফিসে ফর্ম ১৩ এর মাধ্যমে আবেদন করা যাবে। তবে একই ভোটার এলাকার মধ্যে পরিবর্তন বা ঠিকানার তথ্য বা বানানগত কোন ভুল থাকলে সাধারণ সংশোধনের আবেদন ফরমে আবেদন করে সংশোধন করা যাবে।
১৪। প্রশ্নঃ আমি বৃদ্ধ ও অত্যন্ত দরিদ্র ফলে বয়স্ক ভাতা বা অন্য কোন ভাতা খুব প্রয়োজন। কিন্তু নির্দিষ্ট বয়স না হওয়ার ফলে কোন সরকারী সুবিধা পাচ্ছি না। লোকে বলে ID Card –এ বয়সটা বাড়ালে ঐ সকল ভাতা পাওয়া যাবে?
উত্তরঃ ID Card এ প্রদত্ত বয়স প্রামাণিক দলিল ব্যতিত পরিবর্তন সম্ভব নয়। উল্লেখ্য, প্রামানিক দলিল তদন্ত ও পরীক্ষা করে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।
১৫। প্রশ্নঃ একই পরিবারের বিভিন্ন সদস্যের কার্ডে পিতা/মাতার নাম বিভিন্নভাবে লেখা হয়েছে কিভাবে তা সংশোধন করা যায়?
উত্তরঃ সকলের কার্ডের কপি ও সম্পর্কের বিবরণ দিয়ে NID Registration Wing/ উপজেলা/ জেলা নির্বাচন অফিস বরাবর পর্যাপ্ত প্রামাণিক দলিলসহ আবেদন করতে হবে।
১৬। প্রশ্নঃ আমি পাশ না করেও অজ্ঞতাবশতঃ শিক্ষাগত যোগ্যতা এসএসসি বা তদুর্দ্ধ লিখেছিলাম এখন আমার বয়স বা অন্যান্য তথ্যাদি সংশোধনের উপায় কি?
উত্তরঃ আপনি ম্যাজিট্রেট আদালতে এস.এস.সি পাশ করেননি, ভুলক্রমে লিখেছিলেন মর্মে হলফনামা করে এর কপিসহ সংশোধনের আবেদন করলে তা সংশোধন করা যাবে।
১৭। প্রশ্নঃ ID Card এ অন্য ব্যক্তির তথ্য চলে এসেছে। এ ভুল কিভাবে সংশোধন করা যাবে?
উত্তরঃ ভুল তথ্যের সংশোধনের পক্ষে পর্যাপ্ত দলিল উপস্থাপন করে NID Registration Wing/সংশ্লিষ্ট উপজেলা/থানা/জেলা নির্বাচন অফিসে আবেদন করতে হবে।এক্ষেত্রে বায়োমেট্রিক যাচাই করার পর সঠিক পাওয়া গেলে সংশোধনের প্রক্রিয়া করা হবে।
১৮। প্রশ্নঃ রক্তের গ্রুপ অন্তর্ভূক্ত বা সংশোধনের জন্য কি করতে হয়?
উত্তরঃ রক্তের গ্রুপ অন্তর্ভুক্ত বা সংশোধন করতে রক্তের গ্রুপ নির্ণয়কৃত ডায়াগনোসটিক রিপোর্ট দাখিল করতে হয়।
১৯। প্রশ্নঃ বয়স/ জন্ম তারিখ পরিবর্তন করার প্রক্রিয়া কি?
উত্তরঃ এসএসসি বা সমমানের পরীক্ষার সনদের সত্যায়িত ফটোকপি আবেদনের সাথে জমা দিতে হবে। এসএসসি বা সমমানের সনদ প্রাপ্ত না হয়ে থাকলে সঠিক বয়সের পক্ষে সকল দলিল উপস্থাপনপূর্বক আবেদন করতে হবে। আবেদনের পর বিষয়টি তদন্তপূর্বক প্রয়োজনে ডাক্তারী পরীক্ষা সাপেক্ষে সঠিক নির্ধারণ করে প্রয়োজনীয় সংশোধন করা হবে।
২০। প্রশ্নঃ স্বাক্ষর পরিবর্তন করতে চাই, কিভাবে করতে পারি?
উত্তরঃ নতুন স্বাক্ষর এর নমুনাসহ গ্রহণযোগ্য প্রমাণপত্র সংযুক্ত করে আবেদন করতে হবে। তবে স্বাক্ষর একবারই পরিবর্তন করা যাবে।
২১। প্রশ্নঃ আমার জন্ম তারিখ যথাযথভাবে লেখা হয়নি, আমার কাছে প্রামাণিক কোন দলিল নেই, কিভাবে সংশোধন করা যাবে?
উত্তরঃ সংশ্লিষ্ট উপজেলা/জেলা নির্বাচন অফিসে আবেদন করতে হবে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
২২। প্রশ্নঃ একটি কার্ড কতবার সংশোধন করা যায়?
উত্তরঃ এক তথ্য শুধুমাত্র একবার সংশোধন করা যাবে। তবে
Thursday, June 9, 2016
১। প্রশ্নঃ ID Card হারিয়ে গিয়েছে। কিভাবে নতুন কার্ড পেতে পারি?
উত্তরঃ নিকটতম থানায় জিডি করে জিডির মূল কপিসহ সংশ্লিষ্ট উপজেল/থানা নির্বাচন অফিসারের কার্যালয়ে অথবা ঢাকায় জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগে আবেদন করতে হবে।
২। প্রশ্নঃ হারানো আইডি কার্ড পেতে বা তথ্য সংশোধনের জন্য কি কোন ফি দিতে হয়?
উত্তরঃ এখনো হারানো কার্ড পেতে কোন প্রকার ফি দিতে হয় না। তবে ভবিষ্যতে হারানো আইডি কার্ড পেতে/সংশোধন করতে সরকার কর্তৃক নির্ধারিত ফি ধার্য করা হবে।
৩। প্রশ্নঃ হারানো ও সংশোধন একই সাথে করা যায় কি?
উত্তরঃ হারানো ও সংশোধন একই সাথে সম্ভব নয়। আগে হারানো কার্ড তুলতে হবে, পরবর্তীতে সংশোধনের জন্য আবেদন করা যাবে।
৪। প্রশ্নঃ হারিয়ে যাওয়া আইডি কার্ড কিভাবে সংশোধন করব?
উত্তরঃ প্রথমে হারানো আইডি কার্ড উত্তোলন করে তারপর সংশোধনের আবেদন করতে হবে।
৫। প্রশ্নঃ প্রাপ্তি স্বীকারপত্র / স্লিপ হারালে করণীয় কি?
উত্তরঃ স্লিপ হারালেও থানায় জিডি করে সঠিক ভোটার আইডি নাম্বার দিয়ে হারানো কার্ডের জন্য আবেদন পত্র জমা দিতে হবে।
৬। প্রশ্নঃ প্রাপ্তি স্বীকারপত্র / ID Card হারিয়ে গেছে কিন্তু কোন Document নেই বা NID নম্বর/ ভোটার নম্বর/ স্লিপের নম্বর নেই, সে ক্ষেত্রে কি করণীয়?
উত্তরঃ সংশ্লিষ্ট উপজেলা/ থানা/ জেলা নির্বাচন অফিস থেকে Voter Number সংগ্রহ করে NID Registration Wing/ উপজেলা/ থানা নির্বাচন অফিসারের কার্যালয়ে আবেদন করতে হবে।
৭। প্রশ্নঃ জাতীয় পরিচয়পত্রে নেই কিন্তু তথ্য পরিবর্তিত হয়েছে এমন তথ্যাদি পরিবর্তন কিভাবে সম্ভব?
উত্তরঃজাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগে এ সংক্রান্ত কাগজপত্রাদি সহ আবেদন করলে যাচাই-বাছাই করে বিবেচনা করা হবে।
৮। প্রশ্নঃ জাতীয় পরিচয় পত্রের মান বর্তমানে তেমন ভালো না এটা কি ভবিষ্যতে উন্নত করার সম্ভাবনা আছে?
উত্তরঃ হ্যাঁ। আগামীতে স্মার্ট আইডি কার্ড প্রদানের জন্য কাযর্ক্রম চলমান আছে যাতে অনেক উন্নত ও আধুনিক ফিচার সমৃদ্ধ থাকবে এবং মান অনেক উন্নত হবে।
উত্তরঃ নিকটতম থানায় জিডি করে জিডির মূল কপিসহ সংশ্লিষ্ট উপজেল/থানা নির্বাচন অফিসারের কার্যালয়ে অথবা ঢাকায় জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগে আবেদন করতে হবে।
২। প্রশ্নঃ হারানো আইডি কার্ড পেতে বা তথ্য সংশোধনের জন্য কি কোন ফি দিতে হয়?
উত্তরঃ এখনো হারানো কার্ড পেতে কোন প্রকার ফি দিতে হয় না। তবে ভবিষ্যতে হারানো আইডি কার্ড পেতে/সংশোধন করতে সরকার কর্তৃক নির্ধারিত ফি ধার্য করা হবে।
৩। প্রশ্নঃ হারানো ও সংশোধন একই সাথে করা যায় কি?
উত্তরঃ হারানো ও সংশোধন একই সাথে সম্ভব নয়। আগে হারানো কার্ড তুলতে হবে, পরবর্তীতে সংশোধনের জন্য আবেদন করা যাবে।
৪। প্রশ্নঃ হারিয়ে যাওয়া আইডি কার্ড কিভাবে সংশোধন করব?
উত্তরঃ প্রথমে হারানো আইডি কার্ড উত্তোলন করে তারপর সংশোধনের আবেদন করতে হবে।
৫। প্রশ্নঃ প্রাপ্তি স্বীকারপত্র / স্লিপ হারালে করণীয় কি?
উত্তরঃ স্লিপ হারালেও থানায় জিডি করে সঠিক ভোটার আইডি নাম্বার দিয়ে হারানো কার্ডের জন্য আবেদন পত্র জমা দিতে হবে।
৬। প্রশ্নঃ প্রাপ্তি স্বীকারপত্র / ID Card হারিয়ে গেছে কিন্তু কোন Document নেই বা NID নম্বর/ ভোটার নম্বর/ স্লিপের নম্বর নেই, সে ক্ষেত্রে কি করণীয়?
উত্তরঃ সংশ্লিষ্ট উপজেলা/ থানা/ জেলা নির্বাচন অফিস থেকে Voter Number সংগ্রহ করে NID Registration Wing/ উপজেলা/ থানা নির্বাচন অফিসারের কার্যালয়ে আবেদন করতে হবে।
৭। প্রশ্নঃ জাতীয় পরিচয়পত্রে নেই কিন্তু তথ্য পরিবর্তিত হয়েছে এমন তথ্যাদি পরিবর্তন কিভাবে সম্ভব?
উত্তরঃজাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগে এ সংক্রান্ত কাগজপত্রাদি সহ আবেদন করলে যাচাই-বাছাই করে বিবেচনা করা হবে।
৮। প্রশ্নঃ জাতীয় পরিচয় পত্রের মান বর্তমানে তেমন ভালো না এটা কি ভবিষ্যতে উন্নত করার সম্ভাবনা আছে?
উত্তরঃ হ্যাঁ। আগামীতে স্মার্ট আইডি কার্ড প্রদানের জন্য কাযর্ক্রম চলমান আছে যাতে অনেক উন্নত ও আধুনিক ফিচার সমৃদ্ধ থাকবে এবং মান অনেক উন্নত হবে।
১। প্রশ্নঃ আমি যথা সময়ে ভোটার হিসেবে Registration করতে পারিনি। এখন কি করা যাবে?
উত্তরঃ সংশ্লিষ্ট উপজেলা/থানা/জেলা নির্বাচন অফিসে যথাযথ কারণ উল্লেখপূর্বক আবেদন করতে পারেন।
২। প্রশ্নঃ আমি বিদেশে অবস্থানের কারণে Voter Registration করতে পারিনি, এখন কিভাবে করতে পারবো?
উত্তরঃ সংশ্লিষ্ট উপজেলা/থানা/জেলা নির্বাচন অফিসে বাংলাদেশ পাসপোর্ট-এর অনুলিপিসহ জন্ম সনদ, নাগরিকত্ব সনদ, এসএসসি (প্রযোজ্যক্ষেত্রে) সনদ, ঠিকানার সমর্থনে ইউটিলিটি বিলের কপি বা বাড়ী ভাড়া বা হোল্ডিং ট্যাক্সের রশিদের কপিসহ আবেদন করতে হবে এবং সংশ্লিষ্ট ফর্মসমূহ পূরণ করতে হবে।
৩। প্রশ্নঃ আমি ২০০৭/২০০৮ অথবা ২০০৯/২০১০ সালে ভোটার রেজিস্ট্রেশন করেছি কিন্তু সেই সময় আইডি কার্ড গ্রহণ করিনি। এখন কিভাবে আইডি কার্ড
উত্তরঃ সংশ্লিষ্ট উপজেলা/থানা/জেলা নির্বাচন অফিসে যথাযথ কারণ উল্লেখপূর্বক আবেদন করতে পারেন।
২। প্রশ্নঃ আমি বিদেশে অবস্থানের কারণে Voter Registration করতে পারিনি, এখন কিভাবে করতে পারবো?
উত্তরঃ সংশ্লিষ্ট উপজেলা/থানা/জেলা নির্বাচন অফিসে বাংলাদেশ পাসপোর্ট-এর অনুলিপিসহ জন্ম সনদ, নাগরিকত্ব সনদ, এসএসসি (প্রযোজ্যক্ষেত্রে) সনদ, ঠিকানার সমর্থনে ইউটিলিটি বিলের কপি বা বাড়ী ভাড়া বা হোল্ডিং ট্যাক্সের রশিদের কপিসহ আবেদন করতে হবে এবং সংশ্লিষ্ট ফর্মসমূহ পূরণ করতে হবে।
৩। প্রশ্নঃ আমি ২০০৭/২০০৮ অথবা ২০০৯/২০১০ সালে ভোটার রেজিস্ট্রেশন করেছি কিন্তু সেই সময় আইডি কার্ড গ্রহণ করিনি। এখন কিভাবে আইডি কার্ড
Tuesday, June 7, 2016
Monday, June 6, 2016
প্রজাপতি ও বনফুলের প্রেম
by তাওহীদুর রহমান
· June 3, 2016

(গল্পটা পড়ার অনুরোধ রইলো।)
নির্জন বনে একটি বনফুল ছিল। নিসঙ্গ একাকী ছিল সে। সারাদিন একা একাই কাটতো তার। নিসঙ্গতার যন্ত্রনা বড়ই নির্মম, সহ্য করা দুঃসাধ্য। নিসঙ্গতার এমন নিঠুর নির্মমতায় জীবনের প্রতি ঘৃনা হতো বনফুলের।
অতঃপর, হঠাৎ একদিন এক পড়ন্ত বিকেলের স্নিগ্ধতায় দেখা হলো বনফুলের একটা প্রজাপতির সাথে। প্রজাপতির ডানার রঙটা ছিল নীল, আর সেই নীল ডানায় ছিলো নানা রঙ্গের ছড়াছড়ি। বনফুল মুগ্ধ হয়ে তাকিয়ে ছিলো প্রজাপতির দিকে, দৃষ্টি ফেরাতে পারেনি। প্রথম দেখাতেই ভালোবাসার বীজ অঙ্কুরিত হয় বনফুলের মনে। বনফুলকে এমন অবাক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকতে দেখে প্রজাপতি
বললো, “এমন নিলরজ্জের মতো তাকিয়ে আছো কেন?” প্রজাপতির সুমুধর কন্ঠ শোনে বনফুল কথা বলার শক্তি হারিয়ে ফেলে, বোকার মতো তাকিয়ে থাকে প্রজাপতির দিকে। প্রজাপতি কোনো উত্তর না পেয়ে চলে গেলো।
এদিকে সন্ধ্যা ঘনিয়ে শেষে নামলো রাত, মুচকি হেসে দেখা দিলো চাঁদ। বনফুল কিছুতেই ভুলতে পারছেনা প্রজাপতির কথা। তার দৃষ্টির সামনে বার বার ভেসে ওঠে প্রজাপতির প্রতিচ্ছবি, তার সুমধুর কন্ঠস্বর প্রতিধ্বনিত হয়ে কর্ন দিয়ে প্রবেশ করে মনে নানান ভাবনার সৃষ্টি করছে। প্রজাপতির ও বার বার মনে পড়ছে বনফুলের কথা। বনফুলের বোকা বোকা চেহারা মনে করে একা একাই হাসছে সে। সে রাতে বনফুল-প্রজাপতি কারোই ঘুম হয়নি।
খুব সকালেই প্রজাপতি ছোটে আসে বনফুলের কাছে। প্রজাপতিকে দেখেই অভিমানের সুরে বনফুল বলে, “আসতে এতো দেরি হলো কেনো? আমি কখন থেকে অপেক্ষা করছি।” অনর্গল বলেই যাচ্ছে বনফুল, প্রশ্নের পর প্রশ্ন করছে। প্রজাপতি কিছুই বলছে না, মিটিমিটি হাসছে আর বনফুলের চঞ্চলতা দেখছে। বনফুলের কথার ঝুড়ি যখন কিছুটা হালকা হলো, তখন প্রজাপতি বললো, “এতো কথা বলতে পারো তুমি! এতো প্রশ্ন করতে পারো! আমি তোমার এতো প্রশ্নের উত্তর দিতে পারবো না, কি বলি শোনো- আমি খুব তোমাকে ভালোবাসি, জানো, কাল সারারাত তোমার কথা ভেবে একটু ঘুমাতে পারিনি বনফুল। সত্যী আমি তোমাকে ভালোবেসে ফেলেছি।” বনফুল কিছু না বলে জড়িয়ে ধরলো প্রজাপতিকে। সেই থেকে দুজন আবদ্ধ হলো প্রেমবন্ধনে।
প্রতিদিন বনফুলের কাছে আসতো প্রজাপতি। সারাদিন গল্প করতো দুজন। মান-অভিমান, হাসি-টাট্টায় দিন কাটছিল তাদের।
একদিন কথায় কথায় রাত হয়ে যায়, প্রজাপতি থেকে যায় বনফুলের কাছে। বনফুলের বুকে মাথা রেখে ঘুমিয়ে পড়ে প্রজাপতি। হঠাৎ শুরু হলো প্রচন্ড ঝড়-বৃষ্টি ঘুম ভেঙ্গে গেলো তাদের। প্রজাপতি খুব ভয় পেয়েছিলো, তাই বনফুল তাকে বুকে জড়িয়ে ধরে রাখলো। তুমুল ঝড়-বৃষ্টি হচ্ছে, বনফুল ভিজে একাকার হলেও, প্রজাপতি তেমন একটা ভিজেনি। হঠাৎ একটা গাছের ডাল ভেঙ্গে পড়লো বনফুলের মাথার উপর। বনফুল ধাক্কা দিয়ে দুরে সরিয়ে দিলো প্রজাপতিকে। বনফুল কিছু বলার সুযোগ পেলোনা না আর, চলে যেতে হলো প্রিয়তমাকে ছেড়ে না ফেরার দেশে।
কিছুক্ষন পর ঝড় থামে, প্রজাপতি খুব কষ্টে গাছের ডালের নিচ থেকে বের করলো বনফুলের প্রানহীন দেহ। খুব কেঁদেছিলো প্রজাপতি সেদিন বনফুলের প্রানহীন দেহ জড়িয়ে ধরে। আজো কাঁদে প্রজাপতি বনফুলকে মনে করে, আজো খুজে বেড়ায় সে বনফুলের স্মৃতি সবুজ পাতার ভীড়ে।
(যারা সম্পুর্ন গল্প পড়বেন, তাদের মন্তব্য আশা করছি।
না বলা কথাটা
একটা সময় মনে হয় আমি তোমাকে বলি যে
“আমি তোমাকে অনেক ভালবাসি। সত্যি তোমাকে আমি অনেক ভালবাসি। আল্লাহর রহমতে আমি তোমেকে সুখে রাখব, সুখী করতে চেষ্টা করব। তোমাকে আমার জীবনে চাই, আমার মনের কুঠরীতে আমি তোমার জন্য তাজমহল গড়ে রেখেছি। তুমি না,
বলো না আমাকে। আমি আমার সব কিছু সঠিক ভাবে চালিয়ে নিতে পারব আল্লাহর রহমতে। তুমি আমার পাশে থেকো আমার হাতটি ধরে। আমি তোমার মত করেই চলব। আমার জীবনটা আরো গুছিয়ে ঊঠবে তোমাকে পাশে পেলে। সত্যি তোমার জন্য আমার ভালবাসা হৃদয়ের গভীর থেকে এসেছে।”
আমি কেন বলতে পারি না আমার সমস্ত কল্পনা আমার সমস্ত বাস্তব শুধুই তুমি। এই সত্যের মুখোমুখি আমি হতে পারছিনা। শুধুই ভয় হয় কারন তুমি যদি না বলে দাও, তাহলে আমি !!!! তুমি খুব সুন্দর ভাবে আমাকে না বলে দিবে আমি জানি, কিন্তু আমি জানি তোমার না বলার পরে আমার কি হয়ে যাবে, যা হয়তো তুমি জান না। বুশরার সাথে আমার যা হয়েছে তা শুধু একটা ভুল তা কখনো ভালবাসা নয়। যার জন্য হয়তো আমি আমাকে মানিয়ে নিতে পেরেছি। কিন্তু তুমি অনেক আলাদা। তোমার জন্য আমার মন থেকে যা আসে তাকে ভালবাসা বলে। তবুও আমি তোমাকে বলার সাহস পাচ্ছি না, আমি তোমাকে কতটুকু ভালবাসি !
মনে হয় এই পৃথিবীতে আমি তোমাকে নিয়ে এতো চিন্তা করি যা তোমার জন্য অন্য কেউ করবে না। আর আমার এই চিন্তা ভাবনা আপনা আপনিই এসেযায়। তোমার জন্য আমার ভালবাসা হল রিকয়ারমেন্ট আর বাবা মা তাদের টা হল অভিডিয়েন্ট। কিন্তু তোমাকে আমার মন থেকে কখনো সরাতে পারতেছি না। আমি জানি তোমাকে আমি কখনোই পাব না। তাইতো আমি তোমার নাম দিয়েছি কল্পনা। কিন্তু তুমি জান না তুমিই হচ্ছো আমার কল্পনা।
ভাল বন্ধু যদি জীবন সঙ্গী হয় তাহলে জীবনে চলার পথে সব বাধাই তো অতিক্রম কার যায়। তুমি মানে কর যে তুমি আমাকে বুঝ না কিন্তু তুমি আমাকে যতটুকু বুঝ তার পরেতো আর কিছুই বাকি থাকে না। কিন্তু আমি তোমাকে বুঝেও অনেকটাই বুঝি না,যা তুমি কিছুদিন আগে আমাকে বলেছিলে, আমার আজ মনে হচ্ছে তুমি সত্যিই বলেছ, তুমি আমাকে ভালবাস কি না আমি শুধু তাই বুঝি না। তাছাড়া আমি তোমার সব কিছুই বুঝি, কেনই বা বুঝব না বল ? যাকে নিয়ে সারাক্ষন ভাবি, যে সারাক্ষন আমার মনে বসত করে তাকে তো একটা সময় আপনা আপনি ই বুঝা হয়ে যায়।
তবুও আমি তোমাকে বলতে চাই না আমি তোমাকে অনেক ভালবাসি। কি পাবে আমার কাছথেকে তুমি? কিছুইতো নাই আমার। একটা ভাল মন আর ভাল একটা ফেমিলি ছাড়া আর কিই বা আছে আমার তোমাকে দেবার। আর এই দুইটা মাত্র হাতিয়ার নিয়ে আমি তোমার বিশাল ভালবাসার দরবারে কিভাবে বলব আমি তোমাকে ভালবাসি।…………
আমি যে খুব দরিদ্র।
থাকনা আমার ভালবাসা আমার কাছেই। কিন্তু তুমি আমার মনের বাড়ির সবটাই দখল করে আছ। আমার জীবনে মনে হয় আর কখনো তোমার মত মেয়ে আসবে না। আর আমি চাইও না। সারাজীবন আমি তোমাকে অপ্রকাশিত ভাবে ভালবেসে যাব মাঝে মাঝে কিছু কান্না থাকবে আমার যা হয়তো খুব লুকানো।
আমার জীবনে কোন গোপন নাই যা আমি তোমার কাছে বলিনি। হয়তো তোমাকে মনে প্রানে ভালবেসেও তোমাকে না বলাটাই একমাত্র গোপন থাকল। যদি তুমি আমাকে একটি বারের জন্য বুঝাতে পার যে তুমিও আমাকে ভালবাস,তখন আমি আর দেরি না করে তোমার কোমাল সেই মুখের দিকে তাকিয়ে এবং তোমার জলজল ছলছল দুইটি চোখের পানে আমার ভালবাসা পিপাসু দুটি চোখ রেখে বলে দিব “আমি তোমাকে ভালবাসি এবং তুমিই আমার কল্পনা।
আমি জানি তা কখনও করবে না। দুনিয়ার সব মেয়েদের মত তুমিও হয়তো চাও তোমার ভালবাসার পুরুষের অর্থ টাকা পয়সা ধন সম্পদ থাকবে।
থাকনা এইসব কথা……………………। এই সব কথা আমি কেন বার বার মনে করতেছি। তুমি ভাল থাক আমি সেটাই চাই, যেখানেই থাক না কেন।।। কিন্তু আমি তোমাকে অনেকটাই বঝি, সো- তুমি যদি কখনো অন্যের হাতধরে, অপর এক পুরুষকে ভালবেসে কষ্ঠে থাক( আল্লাহ কখনো যেন তা না করে আর আমিও তোমার কষ্ঠ সইতে পারি না)। তা হয়তো তুমি আমাকে বলবে না কিন্তু আমি তা বুঝতে পারব আর তা আমি সয্য না করতে পেরে আরালে লুকিয়ে থাকব আর কাদঁলেও গোপনে কাদঁব। “”তোমাকে প্রচুর ভালবেসেও তোমাকে না বলে আরাল হয়ে থাকা আর সেদিনের লুকিয়ে গোপনে কাদাঁ””এই দুইটা কথাই তোমার কাছে আমি গোপন করব। তাছাড়া আমার সব কিছুই তুমি জানবে কারন তুমি যে আমার অনেক কাছের, অনেক ভাল একটা বন্ধু। আমি তোমাকে অল্প নয় অনেক বেশি সুখী দেখতে চাই।
আমি কেন বলতে পারি না আমার সমস্ত কল্পনা আমার সমস্ত বাস্তব শুধুই তুমি। এই সত্যের মুখোমুখি আমি হতে পারছিনা। শুধুই ভয় হয় কারন তুমি যদি না বলে দাও, তাহলে আমি !!!! তুমি খুব সুন্দর ভাবে আমাকে না বলে দিবে আমি জানি, কিন্তু আমি জানি তোমার না বলার পরে আমার কি হয়ে যাবে, যা হয়তো তুমি জান না। বুশরার সাথে আমার যা হয়েছে তা শুধু একটা ভুল তা কখনো ভালবাসা নয়। যার জন্য হয়তো আমি আমাকে মানিয়ে নিতে পেরেছি। কিন্তু তুমি অনেক আলাদা। তোমার জন্য আমার মন থেকে যা আসে তাকে ভালবাসা বলে। তবুও আমি তোমাকে বলার সাহস পাচ্ছি না, আমি তোমাকে কতটুকু ভালবাসি !
মনে হয় এই পৃথিবীতে আমি তোমাকে নিয়ে এতো চিন্তা করি যা তোমার জন্য অন্য কেউ করবে না। আর আমার এই চিন্তা ভাবনা আপনা আপনিই এসেযায়। তোমার জন্য আমার ভালবাসা হল রিকয়ারমেন্ট আর বাবা মা তাদের টা হল অভিডিয়েন্ট। কিন্তু তোমাকে আমার মন থেকে কখনো সরাতে পারতেছি না। আমি জানি তোমাকে আমি কখনোই পাব না। তাইতো আমি তোমার নাম দিয়েছি কল্পনা। কিন্তু তুমি জান না তুমিই হচ্ছো আমার কল্পনা।
ভাল বন্ধু যদি জীবন সঙ্গী হয় তাহলে জীবনে চলার পথে সব বাধাই তো অতিক্রম কার যায়। তুমি মানে কর যে তুমি আমাকে বুঝ না কিন্তু তুমি আমাকে যতটুকু বুঝ তার পরেতো আর কিছুই বাকি থাকে না। কিন্তু আমি তোমাকে বুঝেও অনেকটাই বুঝি না,যা তুমি কিছুদিন আগে আমাকে বলেছিলে, আমার আজ মনে হচ্ছে তুমি সত্যিই বলেছ, তুমি আমাকে ভালবাস কি না আমি শুধু তাই বুঝি না। তাছাড়া আমি তোমার সব কিছুই বুঝি, কেনই বা বুঝব না বল ? যাকে নিয়ে সারাক্ষন ভাবি, যে সারাক্ষন আমার মনে বসত করে তাকে তো একটা সময় আপনা আপনি ই বুঝা হয়ে যায়।
তবুও আমি তোমাকে বলতে চাই না আমি তোমাকে অনেক ভালবাসি। কি পাবে আমার কাছথেকে তুমি? কিছুইতো নাই আমার। একটা ভাল মন আর ভাল একটা ফেমিলি ছাড়া আর কিই বা আছে আমার তোমাকে দেবার। আর এই দুইটা মাত্র হাতিয়ার নিয়ে আমি তোমার বিশাল ভালবাসার দরবারে কিভাবে বলব আমি তোমাকে ভালবাসি।…………
আমি যে খুব দরিদ্র।
থাকনা আমার ভালবাসা আমার কাছেই। কিন্তু তুমি আমার মনের বাড়ির সবটাই দখল করে আছ। আমার জীবনে মনে হয় আর কখনো তোমার মত মেয়ে আসবে না। আর আমি চাইও না। সারাজীবন আমি তোমাকে অপ্রকাশিত ভাবে ভালবেসে যাব মাঝে মাঝে কিছু কান্না থাকবে আমার যা হয়তো খুব লুকানো।
আমার জীবনে কোন গোপন নাই যা আমি তোমার কাছে বলিনি। হয়তো তোমাকে মনে প্রানে ভালবেসেও তোমাকে না বলাটাই একমাত্র গোপন থাকল। যদি তুমি আমাকে একটি বারের জন্য বুঝাতে পার যে তুমিও আমাকে ভালবাস,তখন আমি আর দেরি না করে তোমার কোমাল সেই মুখের দিকে তাকিয়ে এবং তোমার জলজল ছলছল দুইটি চোখের পানে আমার ভালবাসা পিপাসু দুটি চোখ রেখে বলে দিব “আমি তোমাকে ভালবাসি এবং তুমিই আমার কল্পনা।
আমি জানি তা কখনও করবে না। দুনিয়ার সব মেয়েদের মত তুমিও হয়তো চাও তোমার ভালবাসার পুরুষের অর্থ টাকা পয়সা ধন সম্পদ থাকবে।
থাকনা এইসব কথা……………………। এই সব কথা আমি কেন বার বার মনে করতেছি। তুমি ভাল থাক আমি সেটাই চাই, যেখানেই থাক না কেন।।। কিন্তু আমি তোমাকে অনেকটাই বঝি, সো- তুমি যদি কখনো অন্যের হাতধরে, অপর এক পুরুষকে ভালবেসে কষ্ঠে থাক( আল্লাহ কখনো যেন তা না করে আর আমিও তোমার কষ্ঠ সইতে পারি না)। তা হয়তো তুমি আমাকে বলবে না কিন্তু আমি তা বুঝতে পারব আর তা আমি সয্য না করতে পেরে আরালে লুকিয়ে থাকব আর কাদঁলেও গোপনে কাদঁব। “”তোমাকে প্রচুর ভালবেসেও তোমাকে না বলে আরাল হয়ে থাকা আর সেদিনের লুকিয়ে গোপনে কাদাঁ””এই দুইটা কথাই তোমার কাছে আমি গোপন করব। তাছাড়া আমার সব কিছুই তুমি জানবে কারন তুমি যে আমার অনেক কাছের, অনেক ভাল একটা বন্ধু। আমি তোমাকে অল্প নয় অনেক বেশি সুখী দেখতে চাই।
[[সংগ্রহীত]]
Subscribe to:
Posts (Atom)